1. charlesanderson2445uz27@budgetthailandtravel.com : adelabillups005 :
  2. admin@voiceofsreemangal.com : admin :
  3. suzannamichell@solstris.com : coralbarreiro23 :
  4. cecilewiley@solstris.com : dominiquecrump :
  5. earnestinechauncey@solstris.com : ermamorwood295 :
  6. jadajaime@solstris.com : haiguenther :
  7. advert35@konsultaciya-yurista20.ru : jeramyj8963692 :
  8. lateshacandida@solstris.com : jeroldmccorkinda :
  9. hammer1@xrumer-2026.store : marcyingle835 :
  10. barbarahernandez3773z8ik@gsasearchengineranker.com : muzsalvatore :
  11. serena-gouin121@pomoshch-yurista53.store : serenagouin :
শ্রীমঙ্গল ০৩:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শহীদ ওসমান হাদির স্ত্রীর ফেসবুক পোস্ট ভাইরাল স্থগিত হলো ১১ দলীয় জোটের যৌথ সংবাদ সম্মেলন কমলগঞ্জে মাওলানা শেখ নূরে আলম হামিদীর মতবিনিময় সভা জোটের আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণার সময় জানালেন জামায়াতের আমির খোলা কাগজে পদোন্নতি পেলেন সাংবাদিক এহসান বিন মুজাহির মৌলভীবাজারে ইমাদুদদীন অ্যাকাডেমির ‘ফার্স্ট ডে অ্যাট স্কুল’ প্রোগ্রাম সম্পন্ন শহীদ হাদি হত্যার বিচারসহ ৪ দফা দাবিতে মৌলভীবাজারে ‘মার্চ ফর ইনসাফ’ মৌলভীবাজারে ইসলামিক স্কুলের উদ্বোধন উপলক্ষে সুধী সমাবেশ গাছে পেরেক ঠুকলে জরিমানা ২০ হাজার টাকা, অধ্যাদেশ জারি ফেদায়ে ইসলাম রহ. ফাউন্ডেশনের কমিটি পুনর্গঠন, সভাপতি মুসলেহ, সম্পাদক আহসান
বিজ্ঞপ্তি :
অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল’ এ আপনাকে স্বাগতম। দেশব্যাপী জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস (মাদরাসা-কলেজ) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন- ০১৬০১-৬০৮৬৮৮।

কন্যাসন্তান মানেই আল্লাহর সেরা উপহার

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

আল্লাহতায়ালা মানবজাতিকে পুরুষ ও নারী এই দুই ভাগে সৃষ্টি করেছেন। সন্তান দান করা তাঁরই একান্ত ইচ্ছা। তিনি কাউকে কন্যাসন্তান দেন, কাউকে পুত্রসন্তান, আবার কাউকে উভয়ই দান করেন। আবার কারো ভাগ্যে কোনো সন্তানই জোটে না। এ সবকিছুই আল্লাহতায়ালার ইচ্ছাধীন। পুত্র ও কন্যাসন্তান উভয়ই আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত।

দুঃখজনক হলেও সত্যি, আমাদের সমাজে পুত্রসন্তান জন্মালে যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা যায়, কন্যাসন্তান জন্মালে তেমনটা দেখা যায় না। মিষ্টি বিতরণ করে পুত্রসন্তান হওয়ার খবর প্রচার করা হয়, তার লালন-পালনে বিশেষ আন্তরিকতা দেখানো হয়। অথচ কন্যাসন্তান জন্মালে অনেকেই খুশি প্রকাশ করেন না। কারো কারো তো কন্যাসন্তান হওয়ার কথা বলতেও লজ্জাবোধ হয়। এমনকি অনেক স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা কন্যাসন্তান হওয়ায় স্ত্রীর প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন, খারাপ আচরণ করেন। কন্যাসন্তানকে অশুভ আখ্যা দিয়ে তার মাকে অপমানও করা হয়। অথচ এটা কারো ইচ্ছাধীন বিষয় নয়, বরং আল্লাহর ইচ্ছাতেই ঘটে।

আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, ‘আসমান ও জমিনের রাজত্ব একমাত্র আল্লাহরই। তিনি যা চান সৃষ্টি করেন। যাকে ইচ্ছা কন্যাসন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্রসন্তান দান করেন…।’ (সুরা শুরা, আয়াত ৪৯)। প্রত্যেক মুসলিমের এই শিক্ষা সম্পর্কে অবগত থাকা উচিত। এমন কাজ করা সম্পূর্ণ নাজায়েজ। বরং এটি আল্লাহতায়ালার সৃষ্টিজ্ঞানের ওপর আপত্তি জানানোর শামিল।

কন্যা মানেই আল্লাহর সেরা উপহার
ইসলাম পূর্ব যুগে আরবে কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়াকে অপমানের বিষয় মনে করা হতো। ইসলাম এই কুপ্রথার অবসান ঘটিয়েছে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘যখন তাদের কাউকে কন্যাসন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তার মুখ কালো হয়ে যায় এবং সে মনে মনে দুঃখক্লিষ্ট হয়।’ (সুরা নাহাল, ৫৮-৫৯)। এই আয়াত স্পষ্ট করে, কন্যাসন্তানকে অশুভ বা অকল্যাণকর ভাবা কাফেরদের স্বভাব। কোনো মুমিন এমনটি করতে পারে না।

জান্নাতের সোপান কন্যাসন্তান
কন্যাসন্তান অশুভ নয়। বরং সৌভাগ্যের নিদর্শন এবং পিতামাতার জান্নাত লাভের কারণ। আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার তিনটি মেয়ে বা তিনটি বোন আছে, অথবা দুটি মেয়ে বা দুটি বোন আছে, সে যদি তাদের সঙ্গে উত্তম আচরণ করে এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে আল্লাহকে ভয় করে, তবে তার জন্য রয়েছে জান্নাত।’(সুনানুত তিরমিজি, ১৯১৬; সুনানু আবি দাউদ, ৫১৪৭)।

ইসলামের শিক্ষা হলো, কন্যাসন্তান জন্ম নিলে আনন্দ প্রকাশ করা। কারণ পবিত্র কুরআনে কন্যাসন্তানের জন্ম সংবাদকে সুসংবাদ বলা হয়েছে। আর সুসংবাদ শুনে মানুষ আনন্দ প্রকাশ করবে, এটাই স্বাভাবিক।

আসুন, কন্যাসন্তানকে আল্লাহর রহমত হিসেবে গ্রহণ করি এবং তাদের প্রতি সুবিচার করি।

লেখক: আলেম ও সাংবাদিক

নিউজটি শেয়ার করুন

  • আপডেট সময় : ১০:৪৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / ৬৬৫ বার পড়া হয়েছে
    • আপনি কি আমাদের ওয়েবসাইট এর নিয়মিত দর্শক..?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬, ২ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
    ফজর৪:৩৮
    যোহর১১:৪৬
    আসর৪:২৬
    মাগরিব৫:৩৮
    ইশা৬:৪৯
    সূর্যোদয় :৫:৫৩সূর্যাস্ত :৫:৩৮

    কন্যাসন্তান মানেই আল্লাহর সেরা উপহার

    আপডেট সময় : ১০:৪৮:২৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

    আল্লাহতায়ালা মানবজাতিকে পুরুষ ও নারী এই দুই ভাগে সৃষ্টি করেছেন। সন্তান দান করা তাঁরই একান্ত ইচ্ছা। তিনি কাউকে কন্যাসন্তান দেন, কাউকে পুত্রসন্তান, আবার কাউকে উভয়ই দান করেন। আবার কারো ভাগ্যে কোনো সন্তানই জোটে না। এ সবকিছুই আল্লাহতায়ালার ইচ্ছাধীন। পুত্র ও কন্যাসন্তান উভয়ই আল্লাহর বিশেষ নেয়ামত।

    দুঃখজনক হলেও সত্যি, আমাদের সমাজে পুত্রসন্তান জন্মালে যে আনন্দ ও উৎসাহ দেখা যায়, কন্যাসন্তান জন্মালে তেমনটা দেখা যায় না। মিষ্টি বিতরণ করে পুত্রসন্তান হওয়ার খবর প্রচার করা হয়, তার লালন-পালনে বিশেষ আন্তরিকতা দেখানো হয়। অথচ কন্যাসন্তান জন্মালে অনেকেই খুশি প্রকাশ করেন না। কারো কারো তো কন্যাসন্তান হওয়ার কথা বলতেও লজ্জাবোধ হয়। এমনকি অনেক স্বামী ও তার পরিবারের সদস্যরা কন্যাসন্তান হওয়ায় স্ত্রীর প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করেন, খারাপ আচরণ করেন। কন্যাসন্তানকে অশুভ আখ্যা দিয়ে তার মাকে অপমানও করা হয়। অথচ এটা কারো ইচ্ছাধীন বিষয় নয়, বরং আল্লাহর ইচ্ছাতেই ঘটে।

    আল্লাহতায়ালা পবিত্র কুরআনে বলেছেন, ‘আসমান ও জমিনের রাজত্ব একমাত্র আল্লাহরই। তিনি যা চান সৃষ্টি করেন। যাকে ইচ্ছা কন্যাসন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্রসন্তান দান করেন…।’ (সুরা শুরা, আয়াত ৪৯)। প্রত্যেক মুসলিমের এই শিক্ষা সম্পর্কে অবগত থাকা উচিত। এমন কাজ করা সম্পূর্ণ নাজায়েজ। বরং এটি আল্লাহতায়ালার সৃষ্টিজ্ঞানের ওপর আপত্তি জানানোর শামিল।

    কন্যা মানেই আল্লাহর সেরা উপহার
    ইসলাম পূর্ব যুগে আরবে কন্যাসন্তান জন্ম নেওয়াকে অপমানের বিষয় মনে করা হতো। ইসলাম এই কুপ্রথার অবসান ঘটিয়েছে। এ প্রসঙ্গে আল্লাহতায়ালা বলেন, ‘যখন তাদের কাউকে কন্যাসন্তানের সুসংবাদ দেওয়া হয়, তখন তার মুখ কালো হয়ে যায় এবং সে মনে মনে দুঃখক্লিষ্ট হয়।’ (সুরা নাহাল, ৫৮-৫৯)। এই আয়াত স্পষ্ট করে, কন্যাসন্তানকে অশুভ বা অকল্যাণকর ভাবা কাফেরদের স্বভাব। কোনো মুমিন এমনটি করতে পারে না।

    জান্নাতের সোপান কন্যাসন্তান
    কন্যাসন্তান অশুভ নয়। বরং সৌভাগ্যের নিদর্শন এবং পিতামাতার জান্নাত লাভের কারণ। আবু সাইদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন, ‘যার তিনটি মেয়ে বা তিনটি বোন আছে, অথবা দুটি মেয়ে বা দুটি বোন আছে, সে যদি তাদের সঙ্গে উত্তম আচরণ করে এবং তাদের অধিকার সম্পর্কে আল্লাহকে ভয় করে, তবে তার জন্য রয়েছে জান্নাত।’(সুনানুত তিরমিজি, ১৯১৬; সুনানু আবি দাউদ, ৫১৪৭)।

    ইসলামের শিক্ষা হলো, কন্যাসন্তান জন্ম নিলে আনন্দ প্রকাশ করা। কারণ পবিত্র কুরআনে কন্যাসন্তানের জন্ম সংবাদকে সুসংবাদ বলা হয়েছে। আর সুসংবাদ শুনে মানুষ আনন্দ প্রকাশ করবে, এটাই স্বাভাবিক।

    আসুন, কন্যাসন্তানকে আল্লাহর রহমত হিসেবে গ্রহণ করি এবং তাদের প্রতি সুবিচার করি।

    লেখক: আলেম ও সাংবাদিক