স্টাফ রিপোর্টার:
মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় একটি চাঞ্চল্যকর ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রবিউল ইসলাম নাঈম (১৪) জীবিত অবস্থায় উদ্ধার হয়েছেন। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তিনি নিখোঁজ থাকার পর, শুক্রবার (২২ আগস্ট) হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলার সৈয়দপুর থেকে স্বজনরা তাকে খুঁজে পান। পরে কুলাউড়া থানার পুলিশ তাকে হেফাজতে নেয় এবং শনিবার (২৩ আগস্ট) মৌলভীবাজার আদালতে প্রেরণ করা হয়।
রবিউল সিলেটের ওসমানীনগর উপজেলার গদিয়াচর গ্রামের কনাই মিয়ার ছেলে। জানা গেছে, তিনি গত ২৬ জুলাই বগুড়া রেস্টুরেন্টের নাইট শিফটে কাজ করার সময় নিখোঁজ হন। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও তার সন্ধান পাননি। এরপর ৩ আগস্ট কুলাউড়ার বরমচাল রেলস্টেশনের পাশের ডোবা থেকে অজ্ঞাত কিশোরের লাশ উদ্ধার করা হয়। পরিবার সেটিকেই রবিউলের মৃতদেহ মনে করে এবং অভিযোগ তোলে, রেস্টুরেন্ট মালিক বুলবুল মিয়া তাকে হত্যা করেছে।
রবিউলের মৃত বলে ধারণার পর তার মা ও স্বজনরা কুলাউড়া থানায় মামলা দায়ের করেন এবং ৬ আগস্ট লাশ নিয়ে সিলেট-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করেন।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওমর ফারুক জানান, রবিউল আত্মগোপনে ছিল। তার পরিবারের সদস্যরা তাকে খুঁজে বের করে পুলিশকে খবর দেন। আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী, আগে উদ্ধার হওয়া লাশ ও মামলা বিষয়ক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
রবিউলের বড় ভাই কাইয়ুম দাবি করেছেন, “আমার ভাইকে বুলবুল হত্যা করেছে। আমরা চাই তার ফাঁসি হোক।” পুলিশ ও স্থানীয় প্রশাসন এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে।
নিহত মনে করা কিশোরের জীবিত পাওয়া এ ঘটনাটি স্থানীয় জনগণ ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ঘটনা থেকে বোঝা যায়, নিখোঁজ কিশোরদের খোঁজে পরিবারের তৎপরতা এবং পুলিশি অনুসন্ধান কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধান সম্পাদক এহসান বিন মুজাহির, সম্পাদক ও প্রকাশক মুস্তাকিম আল মুনতাজ তালুকদার
বার্তা ও বানিজ্যিক কার্যালয় : আইটিসিজি, হাজী এলেমান কবির মার্কেট (২য় তলা) কলেজ রোড, শ্রীমঙ্গল, মৌলভীবাজার থেকে প্রকাশিত। বার্তা ও বিজ্ঞাপন: +৮৮০-১৬০১-৬০৮৬৮৮; ই-মেইল: voiceofsreemangal24@gmail.com
Copyright © 2026 voiceofsreemangal. All rights reserved.