মৌলভীবাজারের ঐতিহাসিক পৌর ঈদগাহে তিনটি ঈদের জামাত

মুসলমানদের অন্যতম ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা আগামীকাল শনিবার (৭ জুন) সারাদেশের মতো মৌলভীবাজারেও ধর্মীয় ভাবগম্ভীর পরিবেশে উদযাপিত হবে। জেলার প্রতিটি ঈদগাহ মাঠে ইতোমধ্যে ঈদের জামাতের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। বিশেষ করে মৌলভীবাজার শহরের ঐতিহাসিক ও সম্মানিত ঈদগাহ হজরত সৈয়দ শাহ মোস্তফা (রহ.) পৌর ঈদগাহে তিনটি বৃহৎ জামাত আয়োজন করা হয়েছে।
ঈদগাহে প্রথম জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৬টা ৩০ মিনিটে। এতে ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন বরুণার পীর, আঞ্জুমানে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর, শায়খুল হাদিস আল্লামা মাওলানা মুফতি রশিদুর রহমান ফারুক বর্ণভী। তার সহ-ইমাম হবেন উত্তর কলিমাবাদ জামে মসজিদের খতিব মাওলানা মকবুল হোসাইন খান।
দ্বিতীয় জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল ৭টা ৩০ মিনিটে। এতে ইমামতির দায়িত্ব পালন করবেন মৌলভীবাজার জামেয়া ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মাওলানা শেখ মোহাম্মদ আব্দুল হক। সহ-ইমাম হিসেবে থাকবেন শান্তিবাগ জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মুজাম্মেল হক মাহিরী।
তৃতীয় ও শেষ জামাতটি সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে অনুষ্ঠিত হবে। এতে ইমামতি করবেন পশ্চিমবাজার জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মোঃ শফিউল আলম সোহেল। তার সহ-ইমাম হবেন কাজিরগাঁও জামে মসজিদের ইমাম মাওলানা মোঃ মুহাররম আলী।
ঐতিহাসিক এই ঈদগাহ মাঠটি ১৯৩২ সালে তৎকালীন আসাম পূর্ব বাংলার মন্ত্রী খান বাহাদুর সৈয়দ আব্দুল মজিদ (CIE) ও তার পরিবার নির্মাণ করেন ৪৫ শতক জমির ওপর। ১৯৩৩ সাল থেকে এখানে ঈদের জামাত আয়োজন শুরু হয়। স্থানীয় জনগণ ও পৌরসভার সহায়তায় ঈদগাহটি নিয়মিত সম্প্রসারণ ও সংস্কার করা হয়।
মৌলভীবাজার পৌরসভা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) বুলবুল আহমদ জানান, ‘প্রতি বছরের ন্যায় এবারও তিনটি প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে। মুসল্লিদের জন্য নিরাপত্তা, পানি ও শীতল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।’
ঈদের এই ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতাকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে। শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্ন ঈদ জামাত সম্পন্ন করতে প্রশাসন ও স্বেচ্ছাসেবীদের প্রস্তুতি চূড়ান্ত।






















