কমলগঞ্জ প্রতিনিধি:
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলাকে একটি অভিন্ন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করে সামাজিক ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে যাত্রা শুরু করেছে সম্পূর্ণ অরাজনৈতিক ও সেবামূলক সংগঠন ‘উই আর কমলগঞ্জ’ (ওয়াক)। উপজেলার নাগরিকদের এক ছাতার নিচে নিয়ে আসার প্রত্যয়ে এই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) দুপুর ১২টায় কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে ‘উই আর কমলগঞ্জ’ প্রকল্পের বিভিন্ন দিক নিয়ে প্রশাসনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।
জানা যায়, কমলগঞ্জবাসীকে একটি অভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে যুক্ত করার স্বপ্ন দীর্ঘদিন ধরে লালন করে আসছিলেন ডক্টর অপু আবুল হাসান। তার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে এগিয়ে এসেছেন কমলগঞ্জের একদল উদ্যমী জেন-জি তরুণ।
উদ্যোগটির মূল ভিত্তি একটি আধুনিক ও সেবামূলক মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন, যা বর্তমানে উন্নয়নের শেষ পর্যায়ে রয়েছে। খুব শিগগিরই অ্যাপটি আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে এবং গুগল প্লে-স্টোরে সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে। এই অ্যাপের মাধ্যমে উপজেলার বিভিন্ন নাগরিক সেবা সহজভাবে প্রাপ্তির সুযোগ তৈরি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এ উপলক্ষে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও), কমলগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি), উপজেলা সমাজসেবা অধিদপ্তর, উপজেলা কৃষি অফিস, উপজেলা বিদ্যুৎ অফিসসহ বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
সাক্ষাৎকালে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উদ্যোগটির ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং এর সফল বাস্তবায়নে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
মতবিনিময় সভায় ‘উই আর কমলগঞ্জ’ (ওয়াক)-এর বিভিন্ন দায়িত্বশীল সমন্বয়ক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন তরুণ উদ্যোক্তা ও সমাজকর্মী হাফেজ মাওলানা আবু হানিফা, মুন্সীবাজার ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য ইলিয়াছুর রহমান, সমাজসেবক জুনেদ আহমেদ মাস্টার, সাংবাদিক জায়েদ আহমেদ (বার্তা সম্পাদক, দৈনিক ধলাইর ডাক ও স্টাফ রিপোর্টার, newsbd24live.com), সাংবাদিক রাজন আহমেদ (দৈনিক আনন্দবাজার), সাংবাদিক তানভীর আহমেদ (কমলগঞ্জ প্রতিনিধি, দৈনিক সমাচার), জুলাই যোদ্ধা আব্দুস সামাদ তালুকদার, সমাজসেবক মাওলানা আব্দুস সামাদ সুমন, ইঞ্জিনিয়ার ফাহিম বিন জলিল, সমাজসেবক পারভেজ আহমেদ, সিনিয়র সহকারী শিক্ষক বিমল কুমার সিংহ, মুয়াজ্জিম হুসেন মহন, নাহিদ মোস্তফাসহ আরও অনেকে।
উদ্যোক্তারা জানান, তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের মাধ্যমে খুব দ্রুত এই অ্যাপটি কমলগঞ্জের প্রতিটি মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই তাদের লক্ষ্য। এর মাধ্যমে কমলগঞ্জে একটি ইতিবাচক সামাজিক ও অর্থনৈতিক পরিবর্তন আনার আশা করছেন তারা।