1. admin@voiceofsreemangal.com : admin :
শ্রীমঙ্গল ০২:২২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শুক্রবার থেকে শ্রীমঙ্গলে তিন দিনের হারমোনি ফেস্টিভ্যাল শুরু শ্রীমঙ্গলে শিশু ধ/র্ষ/ণের ঘটনায় মানববন্ধন, অভিযুক্তের ফাঁ/সি/র দাবি ‘মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের বাজেটকে কেউ কেউ চানাচুর বলছে’—প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে হ্যাটট্রিক করলেন মেসি আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য ৩০% ছাড় ঘোষণা করলেন শ্রীমঙ্গলের জাকারিয়া কুলাউড়ায় বিএসএফের গুলিতে নিহত মুজিবের লাশ হস্তান্তর, পতাকা বৈঠক সিলেটে বিভাগীয় কমিশনারের বৈঠকে মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতির বিরোধ নিষ্পত্তি চাঁদাবাজির সংবাদ প্রকাশের জেরে ফেসবুক লাইভে সাংবাদিককে হুমকি, থানায় জিডি বনলতা এক্সপ্রেস: ফ্যাসিস্ট যেভাবে ফিরতে চায় শ্রীমঙ্গলে বাস-পিকআপভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১
বিজ্ঞপ্তি :
অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল’ এ আপনাকে স্বাগতম। দেশব্যাপী জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস (মাদরাসা-কলেজ) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন- ০১৬০১-৬০৮৬৮৮।

সকালে কিশমিশ ভেজানো পানি খাওয়ার উপকারিতা

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৬৫০

ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল ডেস্ক :

ড্রাই ফ্রুট বা শুকনা ফল হিসেবে অনেকেই আমরা কিশমিশ খেয়ে থাকি। তবে পুষ্টিবিদেরা বলছেন, সকালে কিশমিশ ভেজানো পানি শরীরে জাদুর মতো কাজ করে। ওজন কমানো থেকে শুরু করে হজমশক্তি বৃদ্ধিতে কিশমিশের তুলনা নেই। তাই কিশমিশ ভেজানো পানিকে ‘সুপার ড্রিংক’ বলা হয়ে থাকে।

কিশমিশ ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি পান করার অভ্যাস এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, কিশমিশ ভেজানো পানি নিয়মিত খেলে হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ, হজমশক্তি বৃদ্ধি এবং শরীরে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।

আসুন জেনে নেই কিশমিশ ভেজানো পানির ৫টি প্রধান উপকারিতা-

১. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সাপোর্ট

কিশমিশে রয়েছে পলিফেনল, ফ্ল্যাভোনয়েড ও ফেনলিক অ্যাসিডের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। যা শরীরে ক্ষতিকর ফ্রি-র‌্যাডিকেল দূর করে, কোষের ক্ষয় রোধ হয় এবং বয়সজনিত সমস্যা ও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

২. হজমশক্তি বৃদ্ধি

কিশমিশে থাকা দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় আঁশ (ফাইবার) অন্ত্রের গতি স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। রাতে ভিজিয়ে রাখলে কিশমিশ নরম হয় এবং হজমে সুবিধা হয়। এছাড়া এতে থাকা প্রিবায়োটিক যৌগ অন্ত্রে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখে, যা হজম ও পুষ্টি শোষণে সহায়ক।

৩. আয়রন ও শক্তির যোগান

কিশমিশে রয়েছে প্রাকৃতিক আয়রন। যা রক্তকণিকা তৈরিতে জরুরি। বিশেষ করে কালো কিশমিশের থেকে সোনালি কিশমিশে বেশি আয়রন থাকে। নিয়মিত কিশমিশ ভেজানো পানি খেলে রক্তে আয়রনের ঘাটতি কমে, ক্লান্তি দূর হয় এবং শরীরে অক্সিজেন প্রবাহ স্বাভাবিক থাকে।

৪. হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধে সহায়ক

কিশমিশে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কিশমিশ খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে। আঁশ, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট একসঙ্গে কাজ করে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়।

৫. ত্বকের সৌন্দর্য সহায়ক

কিশমিশে থাকা ভিটামিন সি ও ই ত্বকে কোলাজেন তৈরি করে এবং ত্বকের ক্ষত মেরামতে সাহায্য করে। নিয়মিত কিশমিশ পানি পান করলে ত্বক হয় উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর। তবে এটি ত্বকের যত্নের একমাত্র সমাধান নয়, বরং একটি সহায়ক অভ্যাস।

কালো কিশমিশ নাকি সোনালি কিশমিশ

> কালো কিশমিশ রোদে শুকানো হয়, তাই এতে থাকে বেশি আয়রন, আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

> সোনালি কিশমিশ সালফার ডাই-অক্সাইড দিয়ে প্রক্রিয়াজাত ও মেশিনে শুকানো হয়, ফলে এগুলো তুলনামূলক নরম ও মিষ্টি।

> যারা স্বাস্থ্যগত উপকার চান, তাদের জন্য কালো কিশমিশ বেশি উপযোগী। আর যারা স্বাদে মিষ্টি ও নরম চান, তাদের জন্য সোনালি কিশমিশ ভালো বিকল্প।

সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১০:৫২:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১৩৩২ বার পড়া হয়েছে
    • আপনি কি আমাদের ওয়েবসাইট এর নিয়মিত দর্শক..?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
    ফজর৪:৩৮
    যোহর১১:৪৬
    আসর৪:২৬
    মাগরিব৫:৩৮
    ইশা৬:৪৯
    সূর্যোদয় :৫:৫৩সূর্যাস্ত :৫:৩৮

    সকালে কিশমিশ ভেজানো পানি খাওয়ার উপকারিতা

    আপডেট সময় : ১০:৫২:০২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ সেপ্টেম্বর ২০২৫
    ৬৫০

    ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল ডেস্ক :

    ড্রাই ফ্রুট বা শুকনা ফল হিসেবে অনেকেই আমরা কিশমিশ খেয়ে থাকি। তবে পুষ্টিবিদেরা বলছেন, সকালে কিশমিশ ভেজানো পানি শরীরে জাদুর মতো কাজ করে। ওজন কমানো থেকে শুরু করে হজমশক্তি বৃদ্ধিতে কিশমিশের তুলনা নেই। তাই কিশমিশ ভেজানো পানিকে ‘সুপার ড্রিংক’ বলা হয়ে থাকে।

    কিশমিশ ভিজিয়ে রেখে সকালে সেই পানি পান করার অভ্যাস এখন বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। গবেষণায় দেখা গেছে, কিশমিশ ভেজানো পানি নিয়মিত খেলে হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধ, হজমশক্তি বৃদ্ধি এবং শরীরে শক্তি যোগাতে সাহায্য করে।

    আসুন জেনে নেই কিশমিশ ভেজানো পানির ৫টি প্রধান উপকারিতা-

    ১. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সাপোর্ট

    কিশমিশে রয়েছে পলিফেনল, ফ্ল্যাভোনয়েড ও ফেনলিক অ্যাসিডের মতো অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান। যা শরীরে ক্ষতিকর ফ্রি-র‌্যাডিকেল দূর করে, কোষের ক্ষয় রোধ হয় এবং বয়সজনিত সমস্যা ও বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে সহায়তা করে।

    ২. হজমশক্তি বৃদ্ধি

    কিশমিশে থাকা দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় আঁশ (ফাইবার) অন্ত্রের গতি স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। রাতে ভিজিয়ে রাখলে কিশমিশ নরম হয় এবং হজমে সুবিধা হয়। এছাড়া এতে থাকা প্রিবায়োটিক যৌগ অন্ত্রে উপকারি ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য বজায় রাখে, যা হজম ও পুষ্টি শোষণে সহায়ক।

    ৩. আয়রন ও শক্তির যোগান

    কিশমিশে রয়েছে প্রাকৃতিক আয়রন। যা রক্তকণিকা তৈরিতে জরুরি। বিশেষ করে কালো কিশমিশের থেকে সোনালি কিশমিশে বেশি আয়রন থাকে। নিয়মিত কিশমিশ ভেজানো পানি খেলে রক্তে আয়রনের ঘাটতি কমে, ক্লান্তি দূর হয় এবং শরীরে অক্সিজেন প্রবাহ স্বাভাবিক থাকে।

    ৪. হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধে সহায়ক

    কিশমিশে থাকা পটাশিয়াম রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত কিশমিশ খেলে উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে আসে। আঁশ, পটাশিয়াম ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট একসঙ্গে কাজ করে হৃদ্‌রোগের ঝুঁকি কমায়।

    ৫. ত্বকের সৌন্দর্য সহায়ক

    কিশমিশে থাকা ভিটামিন সি ও ই ত্বকে কোলাজেন তৈরি করে এবং ত্বকের ক্ষত মেরামতে সাহায্য করে। নিয়মিত কিশমিশ পানি পান করলে ত্বক হয় উজ্জ্বল ও স্বাস্থ্যকর। তবে এটি ত্বকের যত্নের একমাত্র সমাধান নয়, বরং একটি সহায়ক অভ্যাস।

    কালো কিশমিশ নাকি সোনালি কিশমিশ

    > কালো কিশমিশ রোদে শুকানো হয়, তাই এতে থাকে বেশি আয়রন, আঁশ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট।

    > সোনালি কিশমিশ সালফার ডাই-অক্সাইড দিয়ে প্রক্রিয়াজাত ও মেশিনে শুকানো হয়, ফলে এগুলো তুলনামূলক নরম ও মিষ্টি।

    > যারা স্বাস্থ্যগত উপকার চান, তাদের জন্য কালো কিশমিশ বেশি উপযোগী। আর যারা স্বাদে মিষ্টি ও নরম চান, তাদের জন্য সোনালি কিশমিশ ভালো বিকল্প।

    সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া।