1. admin@voiceofsreemangal.com : admin :
শ্রীমঙ্গল ০২:৩২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শুক্রবার থেকে শ্রীমঙ্গলে তিন দিনের হারমোনি ফেস্টিভ্যাল শুরু শ্রীমঙ্গলে শিশু ধ/র্ষ/ণের ঘটনায় মানববন্ধন, অভিযুক্তের ফাঁ/সি/র দাবি ‘মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের বাজেটকে কেউ কেউ চানাচুর বলছে’—প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে হ্যাটট্রিক করলেন মেসি আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য ৩০% ছাড় ঘোষণা করলেন শ্রীমঙ্গলের জাকারিয়া কুলাউড়ায় বিএসএফের গুলিতে নিহত মুজিবের লাশ হস্তান্তর, পতাকা বৈঠক সিলেটে বিভাগীয় কমিশনারের বৈঠকে মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতির বিরোধ নিষ্পত্তি চাঁদাবাজির সংবাদ প্রকাশের জেরে ফেসবুক লাইভে সাংবাদিককে হুমকি, থানায় জিডি বনলতা এক্সপ্রেস: ফ্যাসিস্ট যেভাবে ফিরতে চায় শ্রীমঙ্গলে বাস-পিকআপভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১
বিজ্ঞপ্তি :
অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল’ এ আপনাকে স্বাগতম। দেশব্যাপী জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস (মাদরাসা-কলেজ) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন- ০১৬০১-৬০৮৬৮৮।

২০ দিনের বিরতির পর আবারও বড়লেখা সীমান্তে বিএসএফের পুশইন

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৬৪০

মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তে আবারও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশে পুশইন কার্যক্রম চালিয়েছে। শুক্রবার (১৩ জুন) ভোরে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের নিউ পাল্লাথল বিওপি সীমান্ত দিয়ে ১৩ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়। বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুশইন হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ, ৩ জন নারী ও ৬ জন শিশু রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, এরা সবাই রোহিঙ্গা মুসলমান।

বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর নিউ পাল্লাথল বিওপির টহল দল স্থানীয়দের সহযোগিতায় সন্দেহভাজন এই ১৩ জনকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায়। বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হাসান বলেন, “সীমান্তের ওই অঞ্চলটি ঝুঁকিপূর্ণ। দীর্ঘ ২০ দিন বন্ধ থাকার পর আবারও পুশইন শুরু করেছে বিএসএফ। আজ ভোরে আটককৃতদের নাম-পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। যাচাই শেষে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় থানায় হস্তান্তর করা হবে।”

বিএসএফের এই আচরণ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে উদ্বেগ বাড়ছে। তারা জানান, বারবার এইভাবে মানুষ ঠেলে দেওয়া সীমান্ত নিরাপত্তা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “প্রতিবার পুশইন হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই অপরিচিত। এতে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে।”

এর আগে গত ২৪ মে রাতে একই সীমান্ত দিয়ে ১২১ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করেছিল বিএসএফ। তখনও বিজিবি তাদের আটক করে পরিচয় নিশ্চিত করার পর থানায় সোপর্দ করেছিল। পরে থানা পুলিশ যাচাই-বাছাই করে স্বজনদের জিম্মায় তাদের মুক্তি দেয়।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের বারবার পুশইন কূটনৈতিকভাবে সমাধানের প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এবং দুই দেশের সম্পর্কের দিক থেকেও বিষয়টি উদ্বেগজনক। সীমান্তে এমন কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।

নিউজটি শেয়ার করুন

  • আপডেট সময় : ০৩:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
  • / ১৩৯৮ বার পড়া হয়েছে
    • আপনি কি আমাদের ওয়েবসাইট এর নিয়মিত দর্শক..?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
    ফজর৪:৩৮
    যোহর১১:৪৬
    আসর৪:২৬
    মাগরিব৫:৩৮
    ইশা৬:৪৯
    সূর্যোদয় :৫:৫৩সূর্যাস্ত :৫:৩৮

    ২০ দিনের বিরতির পর আবারও বড়লেখা সীমান্তে বিএসএফের পুশইন

    আপডেট সময় : ০৩:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ জুন ২০২৫
    ৬৪০

    মৌলভীবাজারের বড়লেখা সীমান্তে আবারও ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশে পুশইন কার্যক্রম চালিয়েছে। শুক্রবার (১৩ জুন) ভোরে বড়লেখা উপজেলার দক্ষিণ শাহবাজপুর ইউনিয়নের নিউ পাল্লাথল বিওপি সীমান্ত দিয়ে ১৩ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়া হয়। বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পুশইন হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ৪ জন পুরুষ, ৩ জন নারী ও ৬ জন শিশু রয়েছে। স্থানীয়দের ধারণা, এরা সবাই রোহিঙ্গা মুসলমান।

    বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এর নিউ পাল্লাথল বিওপির টহল দল স্থানীয়দের সহযোগিতায় সন্দেহভাজন এই ১৩ জনকে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায়। বিজিবি-৫২ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মেহেদী হাসান বলেন, “সীমান্তের ওই অঞ্চলটি ঝুঁকিপূর্ণ। দীর্ঘ ২০ দিন বন্ধ থাকার পর আবারও পুশইন শুরু করেছে বিএসএফ। আজ ভোরে আটককৃতদের নাম-পরিচয় শনাক্তের কাজ চলছে। যাচাই শেষে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় থানায় হস্তান্তর করা হবে।”

    বিএসএফের এই আচরণ নিয়ে স্থানীয়দের মাঝে উদ্বেগ বাড়ছে। তারা জানান, বারবার এইভাবে মানুষ ঠেলে দেওয়া সীমান্ত নিরাপত্তা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, “প্রতিবার পুশইন হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে অধিকাংশই অপরিচিত। এতে এলাকায় আতঙ্ক তৈরি হচ্ছে।”

    এর আগে গত ২৪ মে রাতে একই সীমান্ত দিয়ে ১২১ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করেছিল বিএসএফ। তখনও বিজিবি তাদের আটক করে পরিচয় নিশ্চিত করার পর থানায় সোপর্দ করেছিল। পরে থানা পুলিশ যাচাই-বাছাই করে স্বজনদের জিম্মায় তাদের মুক্তি দেয়।

    সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সীমান্ত এলাকায় এ ধরনের বারবার পুশইন কূটনৈতিকভাবে সমাধানের প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক মানবাধিকার এবং দুই দেশের সম্পর্কের দিক থেকেও বিষয়টি উদ্বেগজনক। সীমান্তে এমন কর্মকাণ্ড অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে।

    স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী এ বিষয়ে সতর্ক রয়েছে এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছে এলাকাবাসী।