1. admin@voiceofsreemangal.com : admin :
শ্রীমঙ্গল ০৬:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎবিদ সমাজ কল্যাণ সংস্থার বনভোজন ও র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত শুক্রবার থেকে শ্রীমঙ্গলে তিন দিনের হারমোনি ফেস্টিভ্যাল শুরু শ্রীমঙ্গলে শিশু ধ/র্ষ/ণের ঘটনায় মানববন্ধন, অভিযুক্তের ফাঁ/সি/র দাবি ‘মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের বাজেটকে কেউ কেউ চানাচুর বলছে’—প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে হ্যাটট্রিক করলেন মেসি আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য ৩০% ছাড় ঘোষণা করলেন শ্রীমঙ্গলের জাকারিয়া কুলাউড়ায় বিএসএফের গুলিতে নিহত মুজিবের লাশ হস্তান্তর, পতাকা বৈঠক সিলেটে বিভাগীয় কমিশনারের বৈঠকে মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতির বিরোধ নিষ্পত্তি চাঁদাবাজির সংবাদ প্রকাশের জেরে ফেসবুক লাইভে সাংবাদিককে হুমকি, থানায় জিডি বনলতা এক্সপ্রেস: ফ্যাসিস্ট যেভাবে ফিরতে চায়
বিজ্ঞপ্তি :
অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল’ এ আপনাকে স্বাগতম। দেশব্যাপী জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস (মাদরাসা-কলেজ) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন- ০১৬০১-৬০৮৬৮৮।

অবহেলায় বিলীন হচ্ছে শ্রীমঙ্গলের সিন্দুরখাঁন ডাকঘর

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৮০

মো. আল আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নের এক সময়ের প্রাণকেন্দ্র ছিল “সিন্দুরখাঁন সিক্কা ডাকঘর”। স্থানীয়ভাবে পরিচিত “সিন্দুরখাঁন পোস্ট ই-সেন্টার” নামে এই শাখা ডাকঘরটি এখন কেবলই অতীতের স্মৃতি।

বছরের পর বছর অব্যবহৃত থাকার কারণে ভবনটি এখন জরাজীর্ণ ও প্রায় অচল অবস্থায় পড়ে আছে। একসময় এখান থেকেই স্থানীয়দের চিঠিপত্র, মানি অর্ডার, টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন ডাকসেবা প্রদান করা হতো। আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা না থাকায় সে সময় ডাকঘরটিই ছিল গ্রামের মানুষের সরকারি ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের অন্যতম নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।

গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, “একসময় এই ডাকঘরেই সকাল থেকে মানুষের ভিড় লেগে থাকত। কেউ মানি অর্ডার নিতে আসতেন, কেউ চিঠি পাঠাতে। এখন মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেটের যুগে আর কেউ এই দরজায় কড়া নাড়েনা।”

বর্তমানে সিন্দুরখাঁন সিক্কা ডাকঘরের ভবনটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, ঐতিহাসিক এই ডাকঘরটি সংরক্ষণ বা সংস্কার করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইতিহাসের অংশ হিসেবে টিকিয়ে রাখা হোক।

ডাক বিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, দেশের অনেক পুরনো গ্রামীণ শাখা ডাকঘরের মতোই সিন্দুরখাঁন সিক্কা ডাকঘরও আধুনিকায়নের পরিকল্পনায় রয়েছে। প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও সংস্কার কাজ সম্পন্ন হলে, এই ঐতিহ্যবাহী ডাকঘরটি আবারও নতুন রূপে ফিরে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০১:০৪:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
  • / ৮৯৭ বার পড়া হয়েছে
    • আপনি কি আমাদের ওয়েবসাইট এর নিয়মিত দর্শক..?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
    ফজর৪:৩৮
    যোহর১১:৪৬
    আসর৪:২৬
    মাগরিব৫:৩৮
    ইশা৬:৪৯
    সূর্যোদয় :৫:৫৩সূর্যাস্ত :৫:৩৮
    স্বত্ব © ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল
    ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD

    অবহেলায় বিলীন হচ্ছে শ্রীমঙ্গলের সিন্দুরখাঁন ডাকঘর

    আপডেট সময় : ০১:০৪:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ অক্টোবর ২০২৫
    ১৮০

    মো. আল আমিন, বিশেষ প্রতিনিধি:

    মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল উপজেলার সিন্দুরখাঁন ইউনিয়নের এক সময়ের প্রাণকেন্দ্র ছিল “সিন্দুরখাঁন সিক্কা ডাকঘর”। স্থানীয়ভাবে পরিচিত “সিন্দুরখাঁন পোস্ট ই-সেন্টার” নামে এই শাখা ডাকঘরটি এখন কেবলই অতীতের স্মৃতি।

    বছরের পর বছর অব্যবহৃত থাকার কারণে ভবনটি এখন জরাজীর্ণ ও প্রায় অচল অবস্থায় পড়ে আছে। একসময় এখান থেকেই স্থানীয়দের চিঠিপত্র, মানি অর্ডার, টেলিগ্রামসহ বিভিন্ন ডাকসেবা প্রদান করা হতো। আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা না থাকায় সে সময় ডাকঘরটিই ছিল গ্রামের মানুষের সরকারি ও ব্যক্তিগত যোগাযোগের অন্যতম নির্ভরযোগ্য মাধ্যম।

    গ্রামের প্রবীণ বাসিন্দারা জানান, “একসময় এই ডাকঘরেই সকাল থেকে মানুষের ভিড় লেগে থাকত। কেউ মানি অর্ডার নিতে আসতেন, কেউ চিঠি পাঠাতে। এখন মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেটের যুগে আর কেউ এই দরজায় কড়া নাড়েনা।”

    বর্তমানে সিন্দুরখাঁন সিক্কা ডাকঘরের ভবনটি ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, ঐতিহাসিক এই ডাকঘরটি সংরক্ষণ বা সংস্কার করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য ইতিহাসের অংশ হিসেবে টিকিয়ে রাখা হোক।

    ডাক বিভাগের স্থানীয় কর্মকর্তারা জানান, দেশের অনেক পুরনো গ্রামীণ শাখা ডাকঘরের মতোই সিন্দুরখাঁন সিক্কা ডাকঘরও আধুনিকায়নের পরিকল্পনায় রয়েছে। প্রয়োজনীয় উদ্যোগ ও সংস্কার কাজ সম্পন্ন হলে, এই ঐতিহ্যবাহী ডাকঘরটি আবারও নতুন রূপে ফিরে আসবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন তারা।