1. admin@voiceofsreemangal.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
  2. Busterhomeimprovement@gmail.com : Bank reject payment 36.011 USD Check ck482853.tw1.ru :
  3. downundercamperrentals@outlook.com.au : Bank reject payment 36.019 USD Check ck482853.tw1.ru :
  4. atkamatis183@gmail.com : Bank reject payment 36.097 USD Check ck482853.tw1.ru :
  5. lopez23456789@gmail.com : Bank reject payment 36.147 USD Check ck482853.tw1.ru :
  6. juliane.hoebes@transnamib.com.na : Bank reject payment 36.160 USD Check ck482853.tw1.ru :
  7. 10310933sook@gmail.com : Bank reject payment 36.189 USD Check ck482853.tw1.ru :
  8. andersondominicsmart@gmail.com : Bank reject payment 36.363 USD Check ck482853.tw1.ru :
  9. asomodi54@gmail.com : Bank reject payment 36.427 USD Check ck482853.tw1.ru :
  10. fronskowski2003@gmail.com : Bank reject payment 36.431 USD Check ck482853.tw1.ru :
  11. orSesfintrest@arcor.de : Bank reject payment 36.498 USD Check ck482853.tw1.ru :
  12. mrdupont60@gmail.com : Bank reject payment 36.505 USD Check ck482853.tw1.ru :
  13. otiasgr@vodafone.de : Bank reject payment 36.522 USD Check coinbasepayment.gt.tc :
  14. kam58gabory@vodafone.de : Bank reject payment 36.534 USD Check coinbasepayment.gt.tc :
  15. treblig6779@gmail.com : Bank reject payment 36.547 USD Check ck482853.tw1.ru :
  16. grggiddings@gmail.com : Bank reject payment 36.568 USD Check ck482853.tw1.ru :
  17. mcorrigaluuuhi@vodafone.de : Bank reject payment 36.622 USD Check coinbasepayment.gt.tc :
  18. peperivera197608@gmail.com : Bank reject payment 36.627 USD Check ck482853.tw1.ru :
  19. taylorreign037@gmail.com : Bank reject payment 36.639 USD Check ck482853.tw1.ru :
  20. prazn5thulung@yahoo.com : Bank reject payment 36.675 USD Check ck482853.tw1.ru :
  21. heidibourque795@gmail.com : Bank reject payment 36.688 USD Check ck482853.tw1.ru :
  22. paulsharingan88@gmail.com : Bank reject payment 36.800 USD Check ck482853.tw1.ru :
  23. sneakerwire@gmail.com : Bank reject payment 36.802 USD Check ck482853.tw1.ru :
  24. crazypao012@gmail.com : Bank reject payment 36.813 USD Check ck482853.tw1.ru :
  25. olegg_boger@mail.ru : Bank reject payment 36.836 USD Check ck482853.tw1.ru :
  26. 81johnmcelwain81@gmail.com : Bank reject payment 36.941 USD Check ck482853.tw1.ru :
  27. mderrey@arcor.de : Bank reject payment 36.952 USD Check ck482853.tw1.ru :
শ্রীমঙ্গল ১১:৪৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
সীমান্তে ভারতীয় পুশ-ইন প্রতিরোধে শ্রীমঙ্গলে সচেতনতামূলক সভা শ্রীমঙ্গলে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রবিউল আউয়াল উপলক্ষে রাবতার ‘সিরাহ এক্সপো ২০২৬’ শ্রীমঙ্গলে তালামীযের দোয়া মাহফিল ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত হত্যাচেষ্টা মামলার রায়: ৯ জন খালাস, একজনের মৃত্যুদণ্ড ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগে কওমী মাদরাসাকে অন্তর্ভুক্ত করল শিক্ষা মন্ত্রণালয় কুলাউড়ায় টানা ৪০ দিনব্যাপী জামাতে নামাজ প্রতিযোগিতার উদ্বোধন শ্রীমঙ্গলে বিদ্যুৎবিদ সমাজ কল্যাণ সংস্থার বনভোজন ও র‍্যাফেল ড্র অনুষ্ঠিত শুক্রবার থেকে শ্রীমঙ্গলে তিন দিনের হারমোনি ফেস্টিভ্যাল শুরু শ্রীমঙ্গলে শিশু ধ/র্ষ/ণের ঘটনায় মানববন্ধন, অভিযুক্তের ফাঁ/সি/র দাবি
বিজ্ঞপ্তি :
অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল’ এ আপনাকে স্বাগতম। দেশব্যাপী জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস (মাদরাসা-কলেজ) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন- ০১৬০১-৬০৮৬৮৮।

আজ বিশ্ব চা দিবস: এক কাপ চায়ে বিশ্বজুড়ে ভালোবাসা

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৫৬

ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল ডেস্ক:

সকালের ঘুম ভাঙা থেকে শুরু করে বিকেলের আড্ডা—এক কাপ চা যেন মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ক্লান্তি দূর করা, মন ভালো করা কিংবা বৃষ্টিভেজা বিকেলে নিঃসঙ্গতা কাটানোর সঙ্গী হিসেবেও চায়ের জনপ্রিয়তা অনন্য। আর তাই পানির পর বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পান করা পানীয় হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে চা।
প্রতি বছর ২১ মে পালিত হয় ‘বিশ্ব চা দিবস’। চা শ্রমিকদের অধিকার, চা শিল্পের গুরুত্ব এবং বিশ্বজুড়ে চায়ের সাংস্কৃতিক প্রভাব তুলে ধরতেই দিবসটি পালন করা হয়।

বিশ্বব্যাপী চা দিবস পালনের উদ্যোগ শুরু হয় ২০০৫ সালে। বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, কেনিয়া, মালয়েশিয়া, উগান্ডা ও তানজানিয়াসহ কয়েকটি চা উৎপাদনকারী দেশ প্রথম এ উদ্যোগ নেয়। শুরুতে ২১ ডিসেম্বর দিবসটি পালন করা হলেও পরে ২০১৯ সালে জাতিসংঘ ২১ মে-কে ‘বিশ্ব চা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ২০২০ সাল থেকে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সহযোগিতায় আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

চায়ের ইতিহাসও বেশ প্রাচীন ও আকর্ষণীয়। ধারণা করা হয়, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে চীনে প্রথম চায়ের প্রচলন শুরু হয়। প্রচলিত একটি কাহিনি অনুযায়ী, চীনের সম্রাট শেন নং গরম পানির পাত্রে হঠাৎ কিছু পাতা পড়ে যাওয়ার পর সেই পানি পান করেন। সেখান থেকেই চায়ের স্বাদ ও গুণাগুণের আবিষ্কার বলে মনে করা হয়।
পরবর্তীতে চা চীন থেকে জাপান, কোরিয়া ও এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে জাপানে চা শুধু পানীয় নয়, বরং একটি ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ও আচার-অনুষ্ঠানের অংশে পরিণত হয়, যা ‘চা অনুষ্ঠান’ নামে পরিচিত।

সপ্তদশ শতকে ইউরোপীয় বণিকদের হাত ধরে চা পৌঁছে যায় ইউরোপে। পর্তুগিজ ও ডাচ ব্যবসায়ীরা চীন থেকে চা আমদানি শুরু করলে ধীরে ধীরে ইউরোপে এর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। পরে ব্রিটিশদের মাধ্যমে ভারত, শ্রীলঙ্কাসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে ওঠে বিশাল চা বাগান। সেই থেকেই দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ বিশ্ব চা উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পায়।

সাহিত্যেও চায়ের উপস্থিতি কম নয়। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ‘কণিকা’ কাব্যগ্রন্থে চায়ের পাত্রকে ঘিরে মজার ছলে লিখেছিলেন— “চায়ের পাত্র বলে, আমি না হলে কি চলত চায়ের উৎসব?

চামচ বলে, আমি না থাকলে চলত না যে সব।”
বর্তমানে চা শুধু একটি পানীয় নয়; এটি মানুষের আবেগ, সংস্কৃতি, আতিথেয়তা ও সামাজিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। এক কাপ চায়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইতিহাস, ঐতিহ্য আর অসংখ্য মানুষের গল্প।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১০:৩৬:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
  • / ৬১৩ বার পড়া হয়েছে
    • আপনি কি আমাদের ওয়েবসাইট এর নিয়মিত দর্শক..?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    সোমবার, ০৬ জুলাই ২০২৬, ২২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
    ফজর৪:৩৮
    যোহর১১:৪৬
    আসর৪:২৬
    মাগরিব৫:৩৮
    ইশা৬:৪৯
    সূর্যোদয় :৫:৫৩সূর্যাস্ত :৫:৩৮
    স্বত্ব © ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল
    ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD

    আজ বিশ্ব চা দিবস: এক কাপ চায়ে বিশ্বজুড়ে ভালোবাসা

    আপডেট সময় : ১০:৩৬:০৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬
    ১৫৬

    ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল ডেস্ক:

    সকালের ঘুম ভাঙা থেকে শুরু করে বিকেলের আড্ডা—এক কাপ চা যেন মানুষের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ। ক্লান্তি দূর করা, মন ভালো করা কিংবা বৃষ্টিভেজা বিকেলে নিঃসঙ্গতা কাটানোর সঙ্গী হিসেবেও চায়ের জনপ্রিয়তা অনন্য। আর তাই পানির পর বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পান করা পানীয় হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে চা।
    প্রতি বছর ২১ মে পালিত হয় ‘বিশ্ব চা দিবস’। চা শ্রমিকদের অধিকার, চা শিল্পের গুরুত্ব এবং বিশ্বজুড়ে চায়ের সাংস্কৃতিক প্রভাব তুলে ধরতেই দিবসটি পালন করা হয়।

    বিশ্বব্যাপী চা দিবস পালনের উদ্যোগ শুরু হয় ২০০৫ সালে। বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলঙ্কা, নেপাল, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, কেনিয়া, মালয়েশিয়া, উগান্ডা ও তানজানিয়াসহ কয়েকটি চা উৎপাদনকারী দেশ প্রথম এ উদ্যোগ নেয়। শুরুতে ২১ ডিসেম্বর দিবসটি পালন করা হলেও পরে ২০১৯ সালে জাতিসংঘ ২১ মে-কে ‘বিশ্ব চা দিবস’ হিসেবে স্বীকৃতি দেয়। ২০২০ সাল থেকে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সহযোগিতায় আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি পালন করা হচ্ছে।

    চায়ের ইতিহাসও বেশ প্রাচীন ও আকর্ষণীয়। ধারণা করা হয়, প্রায় পাঁচ হাজার বছর আগে চীনে প্রথম চায়ের প্রচলন শুরু হয়। প্রচলিত একটি কাহিনি অনুযায়ী, চীনের সম্রাট শেন নং গরম পানির পাত্রে হঠাৎ কিছু পাতা পড়ে যাওয়ার পর সেই পানি পান করেন। সেখান থেকেই চায়ের স্বাদ ও গুণাগুণের আবিষ্কার বলে মনে করা হয়।
    পরবর্তীতে চা চীন থেকে জাপান, কোরিয়া ও এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়ে। বিশেষ করে জাপানে চা শুধু পানীয় নয়, বরং একটি ঐতিহ্যবাহী সংস্কৃতি ও আচার-অনুষ্ঠানের অংশে পরিণত হয়, যা ‘চা অনুষ্ঠান’ নামে পরিচিত।

    সপ্তদশ শতকে ইউরোপীয় বণিকদের হাত ধরে চা পৌঁছে যায় ইউরোপে। পর্তুগিজ ও ডাচ ব্যবসায়ীরা চীন থেকে চা আমদানি শুরু করলে ধীরে ধীরে ইউরোপে এর জনপ্রিয়তা বাড়তে থাকে। পরে ব্রিটিশদের মাধ্যমে ভারত, শ্রীলঙ্কাসহ দক্ষিণ এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে গড়ে ওঠে বিশাল চা বাগান। সেই থেকেই দক্ষিণ এশিয়া ও আফ্রিকার বিভিন্ন দেশ বিশ্ব চা উৎপাদনের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিতি পায়।

    সাহিত্যেও চায়ের উপস্থিতি কম নয়। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তার ‘কণিকা’ কাব্যগ্রন্থে চায়ের পাত্রকে ঘিরে মজার ছলে লিখেছিলেন— “চায়ের পাত্র বলে, আমি না হলে কি চলত চায়ের উৎসব?

    চামচ বলে, আমি না থাকলে চলত না যে সব।”
    বর্তমানে চা শুধু একটি পানীয় নয়; এটি মানুষের আবেগ, সংস্কৃতি, আতিথেয়তা ও সামাজিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। এক কাপ চায়ের সঙ্গে জড়িয়ে আছে ইতিহাস, ঐতিহ্য আর অসংখ্য মানুষের গল্প।