1. admin@voiceofsreemangal.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
শ্রীমঙ্গল ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল’ এ আপনাকে স্বাগতম। দেশব্যাপী জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস (মাদরাসা-কলেজ) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন- ০১৬০১-৬০৮৬৮৮।

মৌলভীবাজারের দুই শিল্পীর কণ্ঠে নতুন উর্দু নাশিদ প্রকাশ

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বিনোদন প্রতিবেদক, ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল :

মৌলভীবাজারের দুই প্রতিভাবান শিল্পী ও ইনভাইট নাশীদ ব্যান্ডের পরিচিত মুখ বদরুল আলম রায়হান এবং আব্দুল্লাহ আল ফাহিম-এর যৌথ কণ্ঠে প্রকাশিত হয়েছে নতুন উর্দু নাশিদ ‘আনে ওয়ালো ইয়ে তো বাতাও শেহর-এ-মদিনা ক্যায়সা হ্যায়’।

নাশিদটি বৃহস্পতিবার (৩০এপ্রিল) হিকমাহ রেকর্ডের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়।

মদিনায় যাওয়ার আকুতি নিয়ে হৃদয়স্পর্শী নাশিদটি মূলত পবিত্র মদিনায় যাওয়ার আকুতি ও প্রেমময় অনুভূতি নিয়ে রচিত। এতে একজন আশিক হৃদয়ের মদিনার প্রতি টান ও ভালোবাসা অত্যন্ত আবেগপূর্ণভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

নাশিদের শুরুতেই উঠে এসেছে গভীর আবেদনময় কিছু পঙক্তি—”হে (মদিনা থেকে) ফিরে আসা পথিকগণ! আমায় অন্তত এটুকু বলো— মদিনা শহরটি কেমন?”
এই কথাগুলো নাশিদটির আবেগ ও বার্তাকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে মনে করছেন শ্রোতারা।

নাশিদটির কথা লিখেছেন ইশরাত গোধরভী। এতে সুর সংগ্রহ করা হয়েছে, যা নাশিদের ভাব ও আবেগকে আরও পরিপূর্ণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।

নাশিদটি প্রসঙ্গে শিল্পী বদরুল আলম রায়হান বলেন,
“এটি শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় একটি নাত। মূলত সেই আবেগ ও আকুতি থেকেই আমরা কাজটি করেছি। আশা করছি দর্শক সমাজে এটি ব্যাপক সাড়া ফেলবে।”

তিনি আরও জানান, নাশিদটির প্রতিটি লাইনে আবেগঘন বার্তা রয়েছে। বিশেষ করে রওজার দিকে তাকিয়ে থাকার অনুভূতি কিংবা গুম্বদে খাজরার ছায়ায় বসে আল্লাহর সামনে সিজদা করার শান্তি—এসব বিষয় নাশিদে হৃদয়গ্রাহীভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

নাশিদের একটি অংশে বলা হয়েছে—”তোমরা তো সেই সবুজ গম্বুজের (গুম্বদে খাজরা) ছায়াতলে বসে ফিরে এসেছ; আমাকে বলো, সেই শীতল ছায়ায় বসে রবের সামনে সিজদা করাটা কেমন লাগে?”

নাশিদটির অডিও নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে মৌলভীবাজারের কোট পয়েন্ট সংলগ্ন হিকমাহ রেকর্ড’স স্টুডিওতে। সাউন্ড ডিজাইনের দায়িত্বে ছিলেন আব্দুল্লাহ আল ফাহিম। নাশিদটির ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন জনপ্রিয় নাশিদ শিল্পী মতিউর রহমান এনাম।

নাশিদটির ভিডিও চিত্রায়ন করা হয়েছে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার রবির বাজার এলাকার আমানিপুর পার্কে। প্রাকৃতিক পরিবেশে নাশিদটির চিত্রায়ন দর্শকদের কাছে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।

ইনভাইট নাশীদ ব্যান্ডের এই দুই শিল্পীর কণ্ঠে নাশিদটি শ্রোতাদের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নাশিদটি নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। অনেক শ্রোতা এটিকে আবেগঘন ও হৃদয়স্পর্শী একটি নাশিদ হিসেবে উল্লেখ করছেন।

প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যেই নাশিদটি উল্লেখযোগ্য সাড়া ফেলেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০২:৩৫:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬
  • / ৮৯১ বার পড়া হয়েছে
Logo
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজর৪:৩৮
যোহর১১:৪৬
আসর৪:২৬
মাগরিব৫:৩৮
ইশা৬:৪৯
সূর্যোদয় :৫:৫৩সূর্যাস্ত :৫:৩৮
স্বত্ব © ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD

মৌলভীবাজারের দুই শিল্পীর কণ্ঠে নতুন উর্দু নাশিদ প্রকাশ

আপডেট সময় : ০২:৩৫:০০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ মে ২০২৬

বিনোদন প্রতিবেদক, ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল :

মৌলভীবাজারের দুই প্রতিভাবান শিল্পী ও ইনভাইট নাশীদ ব্যান্ডের পরিচিত মুখ বদরুল আলম রায়হান এবং আব্দুল্লাহ আল ফাহিম-এর যৌথ কণ্ঠে প্রকাশিত হয়েছে নতুন উর্দু নাশিদ ‘আনে ওয়ালো ইয়ে তো বাতাও শেহর-এ-মদিনা ক্যায়সা হ্যায়’।

নাশিদটি বৃহস্পতিবার (৩০এপ্রিল) হিকমাহ রেকর্ডের অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করা হয়।

মদিনায় যাওয়ার আকুতি নিয়ে হৃদয়স্পর্শী নাশিদটি মূলত পবিত্র মদিনায় যাওয়ার আকুতি ও প্রেমময় অনুভূতি নিয়ে রচিত। এতে একজন আশিক হৃদয়ের মদিনার প্রতি টান ও ভালোবাসা অত্যন্ত আবেগপূর্ণভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

নাশিদের শুরুতেই উঠে এসেছে গভীর আবেদনময় কিছু পঙক্তি—”হে (মদিনা থেকে) ফিরে আসা পথিকগণ! আমায় অন্তত এটুকু বলো— মদিনা শহরটি কেমন?”
এই কথাগুলো নাশিদটির আবেগ ও বার্তাকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে মনে করছেন শ্রোতারা।

নাশিদটির কথা লিখেছেন ইশরাত গোধরভী। এতে সুর সংগ্রহ করা হয়েছে, যা নাশিদের ভাব ও আবেগকে আরও পরিপূর্ণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে।

নাশিদটি প্রসঙ্গে শিল্পী বদরুল আলম রায়হান বলেন,
“এটি শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় একটি নাত। মূলত সেই আবেগ ও আকুতি থেকেই আমরা কাজটি করেছি। আশা করছি দর্শক সমাজে এটি ব্যাপক সাড়া ফেলবে।”

তিনি আরও জানান, নাশিদটির প্রতিটি লাইনে আবেগঘন বার্তা রয়েছে। বিশেষ করে রওজার দিকে তাকিয়ে থাকার অনুভূতি কিংবা গুম্বদে খাজরার ছায়ায় বসে আল্লাহর সামনে সিজদা করার শান্তি—এসব বিষয় নাশিদে হৃদয়গ্রাহীভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

নাশিদের একটি অংশে বলা হয়েছে—”তোমরা তো সেই সবুজ গম্বুজের (গুম্বদে খাজরা) ছায়াতলে বসে ফিরে এসেছ; আমাকে বলো, সেই শীতল ছায়ায় বসে রবের সামনে সিজদা করাটা কেমন লাগে?”

নাশিদটির অডিও নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে মৌলভীবাজারের কোট পয়েন্ট সংলগ্ন হিকমাহ রেকর্ড’স স্টুডিওতে। সাউন্ড ডিজাইনের দায়িত্বে ছিলেন আব্দুল্লাহ আল ফাহিম। নাশিদটির ডিরেক্টর হিসেবে কাজ করেছেন জনপ্রিয় নাশিদ শিল্পী মতিউর রহমান এনাম।

নাশিদটির ভিডিও চিত্রায়ন করা হয়েছে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া উপজেলার রবির বাজার এলাকার আমানিপুর পার্কে। প্রাকৃতিক পরিবেশে নাশিদটির চিত্রায়ন দর্শকদের কাছে ভিন্নমাত্রা যোগ করেছে বলে মন্তব্য করছেন অনেকে।

ইনভাইট নাশীদ ব্যান্ডের এই দুই শিল্পীর কণ্ঠে নাশিদটি শ্রোতাদের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়েছে। প্রকাশের পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে নাশিদটি নিয়ে আলোচনা বাড়ছে। অনেক শ্রোতা এটিকে আবেগঘন ও হৃদয়স্পর্শী একটি নাশিদ হিসেবে উল্লেখ করছেন।

প্রকাশের অল্প সময়ের মধ্যেই নাশিদটি উল্লেখযোগ্য সাড়া ফেলেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।