1. admin@voiceofsreemangal.com : admin :
শ্রীমঙ্গল ০৩:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বিশ্বকাপে ইতিহাস গড়ে হ্যাটট্রিক করলেন মেসি আর্জেন্টিনা সমর্থকদের জন্য ৩০% ছাড় ঘোষণা করলেন শ্রীমঙ্গলের জাকারিয়া কুলাউড়ায় বিএসএফের গুলিতে নিহত মুজিবের লাশ হস্তান্তর, পতাকা বৈঠক সিলেটে বিভাগীয় কমিশনারের বৈঠকে মৌলভীবাজার-হবিগঞ্জ বাস মালিক সমিতির বিরোধ নিষ্পত্তি চাঁদাবাজির সংবাদ প্রকাশের জেরে ফেসবুক লাইভে সাংবাদিককে হুমকি, থানায় জিডি বনলতা এক্সপ্রেস: ফ্যাসিস্ট যেভাবে ফিরতে চায় শ্রীমঙ্গলে বাস-পিকআপভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত-১ আজ বিশ্ব চা দিবস: এক কাপ চায়ে বিশ্বজুড়ে ভালোবাসা শ্রীমঙ্গলে পরিবহন শ্রমিকদের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ; সাংবাদিকসহ আহত ২০ ‘কী রাগ করলা’ ঝড়ে মাতোয়ারা ফেসবুক, নেপথ্যে কী?
বিজ্ঞপ্তি :
অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল’ এ আপনাকে স্বাগতম। দেশব্যাপী জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস (মাদরাসা-কলেজ) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন- ০১৬০১-৬০৮৬৮৮।

লাউয়াছড়া সড়কে ডাকাতির অন্যতম হোতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
১৯৬

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়কে ঘটে যাওয়া আলোচিত ডাকাতির মামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী হাবিবুর রহমান ওরফে পাগলা শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। ডাকাতির ঘটনার পর থেকেই পলাতক থাকা এই অপরাধীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে র‍্যাবের সহায়তায় গ্রেফতার করে জেলা পুলিশ।

৩১ মে রাতে কমলগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি চা বাগান সংলগ্ন বাঘরাবাড়ি এলাকায় সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় রাতের আঁধারে রাস্তায় গাছ ফেলে পথ আটকে দেয় একদল দুর্বৃত্ত। এরপর তারা একের পর এক যানবাহনে হামলা চালিয়ে যাত্রী ও চালকদের মারধর করে সর্বস্ব লুটে নেয়।

ঘটনার পরপরই পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের নাম। তাদের মধ্যে ইতোমধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকেই পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাবিবুর রহমান ওরফে পাগলার অবস্থান নিশ্চিত হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, সরাইল বিশ্বরোড এলাকায় র‍্যাবের সহায়তায় হাবিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। সে শ্রীমঙ্গল উপজেলার গুলগাঁও গ্রামের বাসিন্দা এবং তার বিরুদ্ধে চারটি ডাকাতি মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

পুলিশ আরও জানায়, হাবিবুর রহমান এই ডাকাতির পুরো পরিকল্পনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিল এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেছে। ডাকাতি চালানোর জন্য সে আরও কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় গাছ ফেলে যান চলাচল বন্ধ করে রেখেছিল।

ডাকাতির সময় লুট করা মালামালের মধ্যে ইতোমধ্যে সাতটি মোবাইল ফোন এবং একটি সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসব আলামত বর্তমানে মামলার প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং তদন্তের স্বার্থে আরও অভিযান চলমান।

কমলগঞ্জ থানার ওসি মাহফুজুল কবির জানান, এই মামলায় এখন পর্যন্ত মোট পাঁচজন ডাকাত গ্রেফতার হয়েছে এবং বাকিদেরও শনাক্ত করে গ্রেফতারে তৎপরতা চলছে। পুলিশের এই তৎপরতায় এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।

নিউজটি শেয়ার করুন

  • আপডেট সময় : ০৮:১৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
  • / ১০০০ বার পড়া হয়েছে
    • আপনি কি আমাদের ওয়েবসাইট এর নিয়মিত দর্শক..?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
    ফজর৪:৩৮
    যোহর১১:৪৬
    আসর৪:২৬
    মাগরিব৫:৩৮
    ইশা৬:৪৯
    সূর্যোদয় :৫:৫৩সূর্যাস্ত :৫:৩৮

    লাউয়াছড়া সড়কে ডাকাতির অন্যতম হোতা পুলিশের হাতে গ্রেফতার

    আপডেট সময় : ০৮:১৬:৩০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ জুন ২০২৫
    ১৯৬

    মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ সড়কে ঘটে যাওয়া আলোচিত ডাকাতির মামলার অন্যতম পরিকল্পনাকারী হাবিবুর রহমান ওরফে পাগলা শেষ পর্যন্ত পুলিশের হাতে গ্রেফতার হয়েছে। ডাকাতির ঘটনার পর থেকেই পলাতক থাকা এই অপরাধীকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে র‍্যাবের সহায়তায় গ্রেফতার করে জেলা পুলিশ।

    ৩১ মে রাতে কমলগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি চা বাগান সংলগ্ন বাঘরাবাড়ি এলাকায় সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় রাতের আঁধারে রাস্তায় গাছ ফেলে পথ আটকে দেয় একদল দুর্বৃত্ত। এরপর তারা একের পর এক যানবাহনে হামলা চালিয়ে যাত্রী ও চালকদের মারধর করে সর্বস্ব লুটে নেয়।

    ঘটনার পরপরই পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের নাম। তাদের মধ্যে ইতোমধ্যে চারজনকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তাদের কাছ থেকেই পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে হাবিবুর রহমান ওরফে পাগলার অবস্থান নিশ্চিত হয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

    বৃহস্পতিবার মৌলভীবাজার জেলা পুলিশ এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানায়, সরাইল বিশ্বরোড এলাকায় র‍্যাবের সহায়তায় হাবিবুর রহমানকে গ্রেফতার করা হয়। সে শ্রীমঙ্গল উপজেলার গুলগাঁও গ্রামের বাসিন্দা এবং তার বিরুদ্ধে চারটি ডাকাতি মামলা রয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    পুলিশ আরও জানায়, হাবিবুর রহমান এই ডাকাতির পুরো পরিকল্পনার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিল এবং প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজের সম্পৃক্ততা স্বীকার করেছে। ডাকাতি চালানোর জন্য সে আরও কয়েকজন সহযোগীকে সঙ্গে নিয়ে রাস্তায় গাছ ফেলে যান চলাচল বন্ধ করে রেখেছিল।

    ডাকাতির সময় লুট করা মালামালের মধ্যে ইতোমধ্যে সাতটি মোবাইল ফোন এবং একটি সিএনজি অটোরিকশা উদ্ধার করেছে পুলিশ। এসব আলামত বর্তমানে মামলার প্রমাণ হিসেবে সংরক্ষিত রয়েছে এবং তদন্তের স্বার্থে আরও অভিযান চলমান।

    কমলগঞ্জ থানার ওসি মাহফুজুল কবির জানান, এই মামলায় এখন পর্যন্ত মোট পাঁচজন ডাকাত গ্রেফতার হয়েছে এবং বাকিদেরও শনাক্ত করে গ্রেফতারে তৎপরতা চলছে। পুলিশের এই তৎপরতায় এলাকায় স্বস্তি ফিরেছে বলে জানান স্থানীয় বাসিন্দারা।