1. admin@voiceofsreemangal.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
শ্রীমঙ্গল ০৩:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিজ্ঞপ্তি :
অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল’ এ আপনাকে স্বাগতম। দেশব্যাপী জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস (মাদরাসা-কলেজ) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন- ০১৬০১-৬০৮৬৮৮।

মৌলভীবাজারে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারে হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দেশব্যাপী ‘ইমারজেন্সি এমআর ক্যাম্পেইন ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল।

সকাল ১০টায় মৌলভীবাজার পৌরসভার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং সিভিল সার্জনের কার্যালয় মৌলভীবাজার ও উপজেলা স্বাস্থ্য অফিসের ব্যবস্থাপনায় ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান, সিভিল সার্জন মামুনুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নোবেল চাকমাসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, আগে টিকা গ্রহণ করে থাকলেও সকল শিশুকেই পুনরায় টিকা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। রোগ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই বিশেষ হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইনের আওতায় মৌলভীবাজার জেলার ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। জেলার সকল ইপিআই কেন্দ্র এবং অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী টিকা প্রদান করা হবে।

টিকা গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কেন্দ্রের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। অভিভাবকরা শিশুর টিকা কার্ড সঙ্গে নিয়ে দেশের যেকোনো স্থানে গিয়ে টিকা গ্রহণ করতে পারবেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, শিশুদের সময়মতো টিকা কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে টিকা নিশ্চিত করতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদানই সবচেয়ে কার্যকর ও নিরাপদ উপায়।

দেশব্যাপী এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে হাম ও রুবেলা প্রতিরোধী টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিদিন (সাপ্তাহিক ছুটি ব্যতীত) সকাল ৮টা থেকে এই কর্মসূচি পরিচালিত হবে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধাপে ধাপে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত চলবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ০৯:৩২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • / ৭৮৮ বার পড়া হয়েছে
Logo
বৃহস্পতিবার, ০১ অক্টোবর ২০২৬, ১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ফজর৪:৩৮
যোহর১১:৪৬
আসর৪:২৬
মাগরিব৫:৩৮
ইশা৬:৪৯
সূর্যোদয় :৫:৫৩সূর্যাস্ত :৫:৩৮
স্বত্ব © ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল
ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD

মৌলভীবাজারে হাম-রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচি

আপডেট সময় : ০৯:৩২:০৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

মৌলভীবাজার প্রতিনিধি:

মৌলভীবাজারে হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে বিশেষ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়েছে। দেশব্যাপী ‘ইমারজেন্সি এমআর ক্যাম্পেইন ২০২৬’-এর অংশ হিসেবে সোমবার (২০ এপ্রিল) সকালে এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক তৌহিদুজ্জামান পাভেল।

সকাল ১০টায় মৌলভীবাজার পৌরসভার কনফারেন্স রুমে আয়োজিত অনুষ্ঠানে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং সিভিল সার্জনের কার্যালয় মৌলভীবাজার ও উপজেলা স্বাস্থ্য অফিসের ব্যবস্থাপনায় ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক মিজানুর রহমান, সিভিল সার্জন মামুনুর রহমান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নোবেল চাকমাসহ স্থানীয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।

স্বাস্থ্য বিভাগ জানিয়েছে, আগে টিকা গ্রহণ করে থাকলেও সকল শিশুকেই পুনরায় টিকা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। রোগ প্রতিরোধে সর্বোচ্চ সুরক্ষা নিশ্চিত করতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

এই বিশেষ হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান ক্যাম্পেইনের আওতায় মৌলভীবাজার জেলার ৬ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সী সকল শিশুকে টিকা দেওয়া হবে। জেলার সকল ইপিআই কেন্দ্র এবং অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্রে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী টিকা প্রদান করা হবে।

টিকা গ্রহণের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কেন্দ্রের কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। অভিভাবকরা শিশুর টিকা কার্ড সঙ্গে নিয়ে দেশের যেকোনো স্থানে গিয়ে টিকা গ্রহণ করতে পারবেন।
স্বাস্থ্য বিভাগের পক্ষ থেকে অভিভাবকদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে, শিশুদের সময়মতো টিকা কেন্দ্রে নিয়ে গিয়ে টিকা নিশ্চিত করতে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হাম ও রুবেলা প্রতিরোধে টিকাদানই সবচেয়ে কার্যকর ও নিরাপদ উপায়।

দেশব্যাপী এই কর্মসূচির মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৮০ লাখ শিশুকে হাম ও রুবেলা প্রতিরোধী টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতিদিন (সাপ্তাহিক ছুটি ব্যতীত) সকাল ৮টা থেকে এই কর্মসূচি পরিচালিত হবে এবং দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ধাপে ধাপে নির্ধারিত সময় পর্যন্ত চলবে।