1. admin@voiceofsreemangal.com : নিজস্ব প্রতিবেদক :
শ্রীমঙ্গল ০৫:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
বন্যার্ত মানুষের পাশে শায়খ বর্ণভী (রহ.) ফাউন্ডেশন দস্তারবন্দী সম্মেলন ঘিরে শ্রীমঙ্গলে আঞ্জুমানের ফুযালা সমাবেশ জুলাইয়ের সেই রাত: আল্লাহর কুদরতের এক স্মৃতি মানবাধিকারে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেলেন ফারুক খাঁন, শ্রীমঙ্গলে সংবর্ধনা ‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্যের প্রতিবাদে শ্রীমঙ্গলে সড়ক অবরোধ, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি না ফেরার দেশে শ্রীমঙ্গলের বন্যপ্রাণীর অকৃত্রিম বন্ধু সীতেশ বাবু কমলগঞ্জে বন্যাকবলিত মানুষের মাঝে ত্রাণ বিতরণ আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সম্মেলনে সম্মাননা পেলেন মুহাম্মদ রুয়েল খান স্কুল অব উইজডমে মিড-টার্ম পরীক্ষার ফল প্রকাশ, মেধাবীদের ব্যতিক্রমী সম্মাননা মদিনার আকুতিতে নির্মিত ‘নসীব’ গজলে মুগ্ধ শ্রোতারা
বিজ্ঞপ্তি :
অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল’ এ আপনাকে স্বাগতম। দেশব্যাপী জেলা, উপজেলা ও ক্যাম্পাস (মাদরাসা-কলেজ) প্রতিনিধি নিয়োগ চলছে। আগ্রহীরা যোগাযোগ করুন- ০১৬০১-৬০৮৬৮৮।

স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি

সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি
৪৬৪

অনলাইন ডেস্ক:

বাংলাদেশে নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রকৃত ভিত্তি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়া স্থাপন করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রোববার (৮ মার্চ ২০২৬) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নারীর ক্ষমতায়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ১৯৭৬ সালে প্রথম ‘নারীবিষয়ক দপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীকালে ১৯৭৮ সালে তিনি পূর্ণাঙ্গ ‘মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ গঠন করেন। রাষ্ট্রপতি আরও জানান, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এই মন্ত্রণালয়কে বর্তমানের আধুনিক ‘মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’-এ রূপান্তর করেন, যা নারীদের অধিকার রক্ষায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জিয়াউর রহমান যে ভিত্তি গড়ে দিয়ে গিয়েছিলেন, খালেদা জিয়া তাকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী করেছেন। তিনি মেয়েদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করার মতো বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। নারী শিক্ষার হার বৃদ্ধিতে তাঁর প্রবর্তিত ‘শিক্ষা উপবৃত্তি’ কর্মসূচি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এই উদ্যোগকে তৃতীয় বিশ্বের একটি সফল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে বলেও তিনি স্মরণ করেন।

নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নে বর্তমান সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার এখন স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে। এছাড়া অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ থেকে এই যুগান্তকারী কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যের শেষে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, অতীতের এই সাফল্যের ধারা বজায় রেখে বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে নারী অধিকার ও ক্ষমতায়নের এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :
  • আপডেট সময় : ১০:০০:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
  • / ৮৫২ বার পড়া হয়েছে
    • আপনি কি আমাদের ওয়েবসাইট এর নিয়মিত দর্শক..?

      View Results

      Loading ... Loading ...
  • পুরনো ফলাফল
    Logo
    রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ১০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
    ফজর৪:৩৮
    যোহর১১:৪৬
    আসর৪:২৬
    মাগরিব৫:৩৮
    ইশা৬:৪৯
    সূর্যোদয় :৫:৫৩সূর্যাস্ত :৫:৩৮
    স্বত্ব © ভয়েস অব শ্রীমঙ্গল
    ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: Jp Host BD

    স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান : রাষ্ট্রপতি

    আপডেট সময় : ১০:০০:৫৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ মার্চ ২০২৬
    ৪৬৪

    অনলাইন ডেস্ক:

    বাংলাদেশে নারীর রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নের প্রকৃত ভিত্তি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং দেশনেত্রী খালেদা জিয়া স্থাপন করেছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রোববার (৮ মার্চ ২০২৬) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

    রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন, স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান নারীর ক্ষমতায়নকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে ১৯৭৬ সালে প্রথম ‘নারীবিষয়ক দপ্তর’ প্রতিষ্ঠা করেন। পরবর্তীকালে ১৯৭৮ সালে তিনি পূর্ণাঙ্গ ‘মহিলাবিষয়ক মন্ত্রণালয়’ গঠন করেন। রাষ্ট্রপতি আরও জানান, দেশনেত্রী খালেদা জিয়া এই মন্ত্রণালয়কে বর্তমানের আধুনিক ‘মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়’-এ রূপান্তর করেন, যা নারীদের অধিকার রক্ষায় আরও কার্যকর ভূমিকা রাখছে।

    মো. সাহাবুদ্দিন বলেন, জিয়াউর রহমান যে ভিত্তি গড়ে দিয়ে গিয়েছিলেন, খালেদা জিয়া তাকে আরও শক্তিশালী ও সময়োপযোগী করেছেন। তিনি মেয়েদের জন্য প্রাথমিক শিক্ষা বাধ্যতামূলক এবং দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত অবৈতনিক শিক্ষা চালু করার মতো বৈপ্লবিক সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। নারী শিক্ষার হার বৃদ্ধিতে তাঁর প্রবর্তিত ‘শিক্ষা উপবৃত্তি’ কর্মসূচি আন্তর্জাতিকভাবে প্রশংসিত হয়েছে। বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থা এই উদ্যোগকে তৃতীয় বিশ্বের একটি সফল মডেল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে বলেও তিনি স্মরণ করেন।

    নারীর অধিকার ও ক্ষমতায়নে বর্তমান সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে রাষ্ট্রপতি বলেন, সরকার এখন স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষার সুযোগ চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে। এছাড়া অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের স্বাবলম্বী করতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১০ মার্চ থেকে এই যুগান্তকারী কর্মসূচি শুরু হতে যাচ্ছে জানিয়ে তিনি উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন।

    রাষ্ট্রপতি তাঁর বক্তব্যের শেষে আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, অতীতের এই সাফল্যের ধারা বজায় রেখে বর্তমান সরকার বাংলাদেশকে নারী অধিকার ও ক্ষমতায়নের এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।